বলিউডে ‘হি-ম্যান’ নামে পরিচিত ধর্মেন্দ্র চলে গেছেন না ফেরার দেশে।
তাঁর পুরো নাম ধর্মেন্দ্র সিং দেওল।
আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে ভারতের মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবনেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এ জনপ্রিয় অভিনেতা। শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত জটিলতার কারণে চলতি মাসের শুরুতে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে।
তার মৃত্যুতে সহশিল্পী, ভক্ত ও পুরো চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বলিউডের অনেকেই ছুটে গেছেন ধর্মেন্দ্রর বাড়িতে। তাদের মধ্যে আছেন ছুটে গেছেন অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, আমির খান প্রমুখ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লিখেছেন, ‘এন্ড অব এরা’।
১৯৬০ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ধর্মেন্দ্রর। খুব দ্রুতই তিনি বলিউডের শীর্ষ তারকায় পরিণত হন। রোমান্টিক নায়ক থেকে শুরু করে অ্যাকশন হিরো—সব ধরনের চরিত্রে সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন। ছয় দশকের ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন তিন শতাধিক ছবিতে; যার অনেকগুলোই এখন বলিউড ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত।
তাঁর বিখ্যাত চরিত্রগুলোর মধ্যে সবার আগে আসে ‘শোলে’ ছবির ‘বীরু’র নাম।
এছাড়া ‘ফুল অউর পাথর’, ‘সীতা অউর গীতা’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘প্রতিজ্ঞা’—সবই তার ক্যারিয়ারের উজ্জ্বল মাইলফলক। স্বাভাবিক অভিনয়, সাবলীল সংলাপ আর পর্দাজুড়ে এক আলাদা উপস্থিতির জন্য অগণিত ভক্তের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি।
১৯৯৭ সালে চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি পান ফিল্মফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। ২০১২ সালে ভারত সরকার তাঁকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মভূষণ’ প্রদান করে।
মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেছেন স্ত্রী অভিনেত্রী হেমা মালিনী, প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর, দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওল এবং দুই মেয়ে এশা দেওল ও অহনা দেওল।