সর্বশেষ

তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরবেন ২৫ ডিসেম্বর: ফখরুল

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান তিনি। সেই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান।

বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আমাদের সংগ্রামী নেতা, এই দেশের গণমানুষের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ, জনাব তারেক রহমান, আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, তিনি আগামী ২৫শে ডিসেম্বর, আমি রিপিট করছি যে আগামী ২৫শে ডিসেম্বর তিনি ঢাকার মাটিতে আমাদের মাঝে এসে পৌঁছবেন।”

২০০৭-০৮ সালের সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়ার মতো তার বড় ছেলে তারেক রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি পরিবার নিয়ে লন্ডনে চলে যান, দেশে আর ফেরেননি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে যেদিন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় সেদিনই বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারেককে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

গত বছরের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি সাজা মওকুফ করে খালেদা জিয়াকে পুরোপুরি মুক্তি দেন। পরে উচ্চ আদালতও তাকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে খালাস দেয়।

তারেক রহমানের দেশে ফিরতে বাধা কোথায়, তিনি লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন কি না এসব প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানায়, তারেক রহমানের পাসপোর্ট নেই তবে তিনি চাইলেই ট্র্যাভেল পাসের ব্যবস্থা করা হবে।

সেরকম কোনো আবেদন তিনি তখন করেননি। তার বদলে অসুস্থ মাকে তিনি লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে চিকিৎসকরাও অনুমতি দেন। কিন্তু কাতার সরকারের দেয়া এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে কারিগরি ত্রুটি সহ খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে তার লন্ডনযাত্রা অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে যায়।

খালেদা জিয়া এখনো হাসপাতালেই আছেন। এর মধ্যে দেশে এসেছেন তারেকের স্ত্রী জুবাইদা রহমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here