বাংলাদেশ

বন্ধের সকালে কাঁপল বাংলাদেশ

৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে এ ভূমিকম্প হয় বলে জানায় বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।

এটি ছিল গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্প।

এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে নরসিংদীর মাধবদীতে, কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। আর এ কম্পনের স্থায়ীত্ব ছিল ২৬ সেকেন্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৫ বলে উল্লেখ করেছে। এ কম্পনের উৎপত্তিস্থল দেখিয়েছে নরসিংদী থেকে ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম দক্ষিণ-পশ্চিমে।

ভূমিকম্পে নরসিংদীতে বাবা-ছেলেসহ কমপক্ষে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে; আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক।

ঢাকার বংশালে একটি ভবনের রেলিং ভেঙে পড়ে তিন পথচারী মারা গেছেন। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় একটি ভবনের দেয়াল ধসে মৃত্যু হয়েছে দশ মাস বয়সী এক শিশুর।

বন্ধের দিন শুক্রবার সকালে ভূমিকম্পের সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে মানুষজন বাসা-বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তায় নেমে আসে। কম্পনে অনেক কিছু কাঁপতে দেখা যায়।

এ ভূকম্পনে পুরান ঢাকা, বাড্ডা, ধানমন্ডি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ভবনে ফাটল ধরার এবং পলেস্তরা খসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরর হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের তিনতলা ও মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের চারতলা থেকে নিচে লাফ দিয়ে আহত হয়েছেন তিন শিক্ষার্থী।

ভূমিকম্পের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ উৎপাদন বিঘ্নিত হওয়ার কথা বলেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি।

ভূমিকম্পের সময় গাজীপুরে তাড়াহুড়া করে ভবন থেকে নামতে গিয়ে কমপক্ষে ৪০০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে যাদের অধিকাংশই শ্রমিক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here