
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে সত্যিই বিদেশি প্রতিভা আনা প্রয়োজন কারণ এখনও বিভিন্ন ক্ষেত্রে জ্ঞান ও দক্ষতায় পিছিয়ে আছে মার্কিন কর্মীরা।
আর এই বিষয়টি উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন এইচ-১বি ভিসা নীতির লক্ষ্য মূলত বিদেশি দক্ষ কর্মীদের অস্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে এনে মার্কিনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া।
এইচ-১বি ভিসা সংক্রান্ত নিয়মে গত কয়েক মাসে একের পর এক বদল আনে যুক্তরাষ্ট্র। এই ভিসার জন্য এক লাখ ডলার ফি বাড়ানোসহ আরও সব কড়াকড়ি নিয়ম চালুর ঘোষণাও দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন।
ট্রাম্পের উপরের মন্তব্যের পরই এইচ-১বি ভিসা নিয়ে নতুন নীতির কথা বললেন অর্থমন্ত্রী স্কট। এই নীতিতে অন্য দেশের অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মীরা কয়েক বছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন। সেখানে মার্কিন কর্মীদের ‘প্রশিক্ষণ’ দেবেন তারা।
তবে প্রশিক্ষণ শেষে তাদের আর যুক্তরাষ্ট্রে থাকা হবে না। ফিরে যেতে হবে নিজ নিজ দেশে।
স্কট বলেন, এর মাধ্যমে বিদেশি শ্রমিকদের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নির্ভরতার বদলে উচ্চ-দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীদের দিয়ে মার্কিনিদের চাকরির জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়ানো হবে যাতে তারাও সমান দক্ষ হয়ে ওঠে।
তিনি সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই নীতিটা আসলে এক ধরনের ‘নলেজ ট্রান্সফার’ যার লক্ষ্য আমেরিকার উৎপাদন খাতকে নতুন করে দাঁড় করানো।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনা হলো দক্ষ বিদেশি কর্মীরা তিন, পাঁচ, বা সাত বছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আসবেন, স্থানীয় কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেবেন, তারপর নিজ দেশে ফিরে যাবেন। তখন আমেরিকানরা সেই কাজ নিজেরাই করতে পারবে।
ট্রাম্পের এই উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ শিল্পগুলো ফেরত আনার এবং আমদানি নির্ভরতা কমানোর বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ বলে জানান বেসেন্ট।



