
বিশ্বের বিভিন্ন সময় ও অঞ্চলে মধ্যরাত ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে আতশবাজি ও আনন্দের মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপন শুরু হয়ে যায়।
২০২৬ সাল প্রথম আসে বিচ্ছিন্ন প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্রজাতন্ত্র কিরিবাতির প্রবালপ্রাচীর বেষ্টিত কিরিটিমাটি দ্বীপে।
দ্বীপের একজন দর্শনার্থী বলেন, তিনি এটিকে “একটি সমুদ্র সৈকতে যেখানে কোনো উপগ্রহ নেই, মানুষের জীবনের কোনো চিহ্ন নেই, সম্পূর্ণ অন্ধকার এবং অসংখ্য কাঁকড়া”।
এর পরপরই নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড আতশবাজি দিয়ে নববর্ষ উদযাপন করে।
তারপর অস্ট্রেলিয়ার সিডনি হারবার ব্রিজ এবং অপেরা হাউসের উপরের আকাশ আতশবাজিতে আলোকিত হয়ে উঠে।
গত ১৪ ডিসেম্বর বন্ডাই বিচে হামলার ঘটনাটি, যেদিন ১৫ জন প্রাণ হারায়, মনে করে সিডনির উৎসব শোকে অনেকটা ম্লান হয়ে যায়।
বন্ডাই বিচে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সন্ধ্যার আগেই মানুষজন সিডনি হারবার ব্রিজে জড়ো হন।
স্থানীয় সময় রাত ৯টায় সেখানে বন্ডাই বিচের নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এর পরপরই ২০২৬ সালকে স্বাগত জানায় জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া।
জাপানের রাজধানী টোকিওতে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন দর্শকরা।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের বিশাল লোটে ওয়ার্ল্ড টাওয়ারের উপরে আতশবাজি ফাটানো হয়।
চীনের বেইজিংয়ে অবস্থিত গ্রেট ওয়ালের সবচেয়ে সুপরিচিত অংশগুলির মধ্যে একটিতে মানুষ জড়ো হয়েছিল নতুন বছরকে বরণ করতে।
সিঙ্গাপুরের মেরিনা বে ওয়াটারফ্রন্টেও আতশবাজিতে আকাশ রঙিন করে তোলা হয়।
নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে হংকংয়ের দর্শকরা স্টাইলিশ টুপি পরে লাইভ পারফর্মেন্স উপভোগ করেন।
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে চোখধাঁধানো আতশবাজি আকাশকে আলোকিত করে তোলে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় শোক পালনের মধ্যেই বাংলাদেশে নতুন বছরের আগমন ঘটে।
বাংলাদেশের পর নতুন বছর ২০২৬ সালকে বরণে মেতে উঠে ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।
বিশ্বব্যাপী আমাদের সকল পাঠক, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং প্রবাসী বাংলাদেশীর জন্য নববর্ষের শুভেচ্ছা।



